Wednesday, May 22, 2024
গাইডব্লগ

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কী? কিভাবে একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হবেন? 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত। যথা : ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট । ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কোনো ওয়েবসাইটের বাইরের যে অংশটি আমাদের কাছে দৃশ্যমান অর্থাৎ, ক্লায়েন্ট সাইড, সে অংশটি নিয়ে কাজ করে। আর ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট ওয়েবসাইটের ভিতরের অদৃশ্যমান বা সার্ভার অংশটি নিয়ে কাজ করে। আর ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট এন্ড এবং ব্যাক এন্ড উভয়ের কাজই করে থাকে। আজকে আমরা ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কী সে সম্পর্কে জানবো।

অবশ্যই পড়বেন:

ইমেইল মার্কেটিং কী

কন্টেন্ট মার্কেটিং কী

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কী

গ্রাফিক্স ডিজাইন কী

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কী?

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কী

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে এইচটিএমএল(HTML), সিএসএস(CSS), জাভাস্ক্রিপ্ট(Javascript) ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ওয়েবসাইটের গ্রাফিকাল(Graphical) ইউজার ইন্টারফেস(Interface) ডেভেলপ করা, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটটি দেখতে এবং সেটির সাথে ইন্টার‍্যাক্ট(Interact) করতে পারে।

ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের একদম সর্বপ্রথম ধাপ হচ্ছে ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট। কোনো ওয়েবসাইটের গঠন কেমন হবে, আউটলুক কেমন হবে, বাটন কোথায় হবে, কোথায় কোথায় রং বা কালার বসবে, ছবি বা ইমেজ কোথায় বসবে – এই সবকিছুই ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্টের অন্তর্ভুক্ত। 

ওয়েব ডিজাইন করার সময় অন্যতম লক্ষ্য থাকে এটা নিশ্চিত করা যে, যখন কোনো ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে, তখন যেনো তথ্য ও উপাত্তগুলো তার সামনে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা পড়তে সহজ এবং প্রাসঙ্গিক হয়।

বিষয়টি অনেকটা জটিল হয়ে যায় কারণ ব্যবহারকারীরা প্রায় প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন স্ক্রিন সাইজ ও রেজুলেশনের(Resolution) ভিন্ন ভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করেন। তাই ওয়েবসাইটটি এমনভাবে তৈরি করতে হয় যাতে সেটি সবরকম ব্রাউজার(Browser), ভিন্ন ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম এবং ভিন্ন ভিন্ন ডিভাইসে ব্যবহার উপযোগী হয়। আর এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিই ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্টের আওতাভুক্ত।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারক এর দায়িত্ব

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারক এর দায়িত্ব

একজন ফ্রন্ট এন্ড ওয়েব ডেভেলপারকে বিভিন্ন রকম দায়িত্ব পালন করতে হয়। যেমন :

  • বিভিন্ন রকম প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট ইত্যাদির ব্যবহার সম্পর্কে জানা।
  • ওয়েবসাইটের বাহ্যিক অংশ বা ক্লায়েন্ট সাইড নিয়ে কাজ করা। 
  • ওয়েবসাইটের গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস ডেভেলপ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা।
  • কোনো ওয়েবসাইটের গঠন, আউটলুক কেমন হবে, বাটন, ছবি, কালার, লিংক ইত্যাদি কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করা। 
  • ওয়েবসাইটটি এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে গ্রাহকের কাছে ওয়েবসাইটের তথ্য ও উপাত্তগুলো প্রাসঙ্গিক মনে হয়। 
  • সব রকম ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেম এবং ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করা।
  • ইউআই/ইউএক্স ডিজাইন(UI/UX Design) সম্পর্কে জ্ঞান থাকা। 
  • নিজের সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি বা ব্যবহার উপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করা  
  • ওয়েবসাইটে কোনো রকম সমস্যা হলে তা সমাধানের চেষ্টা করা।
  • ওয়েবসাইটের স্ক্রিন ভিজুয়ালিটি এবং বাহ্যিক ফাংশনালিটি নির্ধারণ করা।
  • গ্রাফিক ডিজাইনিং ট্যুলগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা। 
  • ব্যবহারকারীদের কাছে বোধগম্য এবং সহজে ইন্টার‍্যাক্ট করা যায় এমন ওয়েবসাইট তৈরি করা। 
  • সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন(এসইও) সম্পর্কে ধারণা থাকা।
  • সফটওয়্যারের কর্মপ্রবাহ পরিচালনা করা।

ফ্রন্ট এন্ড বনাম ব্যাক এন্ড বনাম ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপারের পার্থক্য

ফ্রন্ট এন্ড, ব্যাক এন্ড এবং ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপারের পার্থক্য নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আমাদের ব্লগে আলোচনা করেছি। আপনি চাইলে ফ্রন্ট এন্ড বনাম ব্যাক এন্ড বনাম ফুল-স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার এখান থেকে তা দেখে নিতে পারেন।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের কী কী দক্ষতা থাকা প্রয়োজন?

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের কী কী দক্ষতা থাকা প্রয়োজন

একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের নিম্নে উল্লেখিত বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী :

  • এইচটিএমএল(HTML) এবং সিএসএস(CSS)

হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ বা এইচটিএমএল(HTML) এবং ক্যাসকেডিং স্টাইল শিটস বা সিএসএস(CSS) – এই দুটো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ওয়েবসাইটের নাটস এন্ড বোল্টস বা ব্যবহারিক খুটিনাটি বলা হয়। ওয়েবপেজ বা ওয়েবসাইটের গঠন ঠিক করার জন্য এইচটিএমএল ব্যবহার করা হয়। আর ঐ ওয়েবসাইটটিকে ডিজাইন তথা কালার, ফন্ট, টাইপফেস ইত্যাদি উপকরণ দ্বারা স্টাইলিংয়ের জন্য সিএসএস ব্যবহার করা হয়।

  • জাভাস্ক্রিপ্ট(Javascript)

যেহেতু এইচটিএমএল এবং সিএসএস একরকম প্রতিক্রিয়াহীন বা স্থিতিশীল, এজন্য এগুলো টেক্সট-অনলি(Only) ওয়েবসাইটগুলোর জন্য উপযুক্ত। প্রতিক্রিয়াশীল ওয়েবসাইটগুলোর জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট একটি উপকারী সংযোজন।

এই ক্লায়েন্ট সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ওয়েবসাইটে বিভিন্ন রকম ইন্টারেক্টিভ(Interactive) ফিচার যেমন পোলস(Polls), স্লাইডশোস(Slideshows) এবং বিভিন্ন রকম ফর্মস(Forms) সংযোজন করার সুযোগ দেয়। তাছাড়া ওয়েবসাইটের যে ডায়নামিক উপকরণগুলো রয়েছে যেমন পেজ এনিমেশন, স্ক্রলিং, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি – এগুলোতেও এটি সহায়তা করে।

  • ফ্রেমওয়ার্কস(Frameworks)

সিএসএস বা জাভাস্ক্রিপ্ট ফ্রেমওয়ার্কস হচ্ছে সিএসএস বা জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলস(Files) এর সংকলন, যা তাদের সাধারণ ফাংশনালিটিগুলো দ্বারা বিভিন্ন রকম কার্য পরিচালনা করে। এই ক্ষেত্রে আপনি শূন্য বা খালি টেক্সট ডকুমেন্ট দিয়ে শুরু করার চেয়ে, এমন একটি কোড ফাইল দিয়ে শুরু করতে পারেন যেখানে ইতিমধ্যে অনেকগুলো সিএসএস বা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড রয়েছে।

ফ্রেমওয়ার্কগুলোর নিজস্ব শক্তিমত্তা ও দূর্বলতা উপর ভিত্তি করে আপনাকে বেছে নিতে কোন ফ্রেমওয়ার্কটি আপনার ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য প্রয়োজন হবে। যেমন কিছু ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যেগুলো জটিল ইউজার ইন্টারফেস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, আবার কিছু রয়েছে যেগুলো আপনার সাইটের কন্টেন্টগুলো প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়৷

  • সিএসএস প্রিপ্রসেসিং(CSS Preprocessing)

সিএসএস প্রিপ্রসেসিং হচ্ছে সিএসএসের এডভান্সড ভার্সন যা ওয়েবসাইটের উন্নত ভার্সন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এটি শুধুমাত্র স্টাইলিংয়ের উপকরণগুলো উন্নত করার কোনো ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, বরং এটি ডেভেলপারদেরকে অনেকগুলো কাজ বারবার করা থেকেও মুক্তি দেয়।

মূলত তিন রকম প্রিপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়, যথা :

  • সাস(Sass)
  • লিস(LEES)
  • স্টায়লাস(Stylus)
  • ভার্সন কন্ট্রোল(Version Control)

ভার্সন কন্ট্রোল হচ্ছে সোর্স কোডগুলোর পরিবর্তন ট্র্যাক(Track) করার এবং নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রক্রিয়া, যাতে করে কোনো সমস্যা হলে আবার নতুন করে শুরু করা না লাগে। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই পূর্বের কোন ভার্সনে কোন পরিবর্তন করা হয়েছে তা সহজেই ট্র্যাক করতে করবেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি চলমান রেখেই কোথায় কী সমস্যা হয়েছে তা চিহ্নিত করতে পারবেন।

  • টেস্টিং/ডিবাগিং(Testing/Debugging)

যেকোনো প্রজেক্ট, বাগস(Bugs) থেকে দূরে রাখার জন্য টেস্টিং বা পরীক্ষাকরণ খুবই জরুরী৷ তাই একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের অবশ্যই কোড টেস্টিং বা পরীক্ষাকরণ এবং ডিবাগিংয়ের দক্ষতা থাকা উচিত। ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য বিভিন্ন রকম টেস্টিং মেথড বা পরীক্ষাকরণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়, যেমন : ফাংশনাল টেস্টিং, ইউনিট(Unit) টেস্টিং ইত্যাদি।

  • সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের অবশ্যই কোনো সমস্যা সমাধানের অসাধারণ দক্ষতা থাকতে হবে। কীভাবে ওয়েবসাইটের জন্য সেরা ডিজাইনটি বাস্তবায়ন করা যায়, বাগ ফিক্স করা যায়, কীভাবে আপনার ফ্রন্ট এন্ড কোড অন্য একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের লেখা ব্যাক এন্ড কোডের সাথে কাজ করতে পারে এই সবকিছু যাচাই-বাছাই এবং ডেভেলপমেন্ট করা ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারের সমস্যা সমাধানের দক্ষতার মধ্যে পরে।

কীভাবে একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হবেন?

কীভাবে একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হবেন

একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হওয়ার জন্য আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে, সেগুলো হলো :

  • এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে এবং বিষয়গুলো ভালো করে আয়ত্ত করে ফেলতে হবে। 
  • ফ্রন্ট এন্ড ফ্রেমওয়ার্কসের সাথে পরিচিত হতে হবে এবং সেগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে।
  • প্রাসঙ্গিক অন্যান্য প্রয়োজনীয় টুল, প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার এবং তাদের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে।
  • বিভিন্ন রকম প্রজেক্টে কাজ করুন। সেটা হতে পারে নিজের কোনো প্রজেক্ট, বা কোনো ক্লায়েন্ট বা প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট বা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলো থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রজেক্ট। মোট কথা, চর্চা অব্যাহত রাখুন। তাহলে দিনে দিনে আপনি আরো দক্ষ হয়ে উঠতে পারবেন।
  • পরিশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ তথা নিজের একটি পোর্টফলিও তৈরি করতে হবে। কারণ আপনার পোর্টফলিওই আপনার সম্পর্কে মানুষকে প্রাথমিক ধারণা দিবে। তাই আপনার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, যোগ্যতা, বিশেষত্ব সবকিছুই আপনার পোর্টফলিওতে উল্লেখ করে একটি সুন্দর, সাজানো-গোছানো পোর্টফলিও তৈরি করুন।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কীভাবে শিখবেন?

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কীভাবে শিখবেন

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট শেখার বেশ কিছু সহজ মাধ্যম রয়েছে। যেমন :

  • কোনো ট্রেনিং বা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে।
  • ব্লগপোস্ট পড়ে।  
  • অনলাইনে পেইড কোর্স করে। 
  • সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো অনলাইন মিডিয়া থেকে। 
  • ইউটিউবে টিউটোরিয়াল অনুসরণ করে।
  • বই পড়ে৷ 
  • অনলাইনে ফ্রি কোর্স করে। 
  • অভিজ্ঞ কারো থেকে ব্যক্তিগতভাবে ট্রেনিং নিয়ে।
  • ই-বুক(Ebook) বা পিডিএফ ডাউনলোড করে।

উল্লেখিত প্রত্যেকটি মাধ্যমই ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপিং শেখার জন্য কার্যকরী। আপনার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো একটা বা যতগুলো ইচ্ছা অনুসরণ করে বিষয়টি আপনি শিখতে পারেন।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারদের চাকরি ও বেতনের সম্ভাবনা

বর্তমানে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। ফ্রন্ট এন্ড, ব্যাক এন্ড, ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট সবকিছুরই আজকাল ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারদের চাহিদা তো রীতিমতো আকাশচুম্বী।

একটি সমীক্ষা মতে, বিশ্বের ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারদের বর্তমান গড় বেতন বছরে প্রায় ১,০৭,০০০ ইউএস ডলার, বাংলাদেশী টাকায় যা ৯২,৪০,৫২০ টাকা! পুরো বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ২৬.২ মিলিয়ন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার রয়েছেন। তার মধ্যে আমেরিকাতেই রয়েছেন ১৪০০০ জন যা ব্যাক এন্ড ডেভেলপারদের চেয়ে অনেক বেশি।

শুধু তাই নয়, গবেষণা মতে এই বছরের মধ্যেই ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপারদের চাকরি ২০১৯ সালের তুলনায় প্রায় ৩% বাড়বে। এবং ২০২৯ সালের ভিতর তা ৮% বৃদ্ধি পাবে। 

তাছাড়া আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপিং করতে পারেন। জনপ্রিয় কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেমন : ফাইভার, আপওয়ার্ক, পিপলপারআওয়ার, ফ্রিল্যান্সার, গুরু ইত্যাদি প্লাটফর্মে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে অনেকগুলো কাজ রয়েছে। আপনি যদি নিজেকে একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনি এখান থেকেও প্রচুর কাজ পাবেন এবং পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক পাবেন।

অর্থাৎ বলা যায়, আপনি একজন দক্ষ ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারলে আপনার জন্য দারুণ একটি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

শেষ কথা

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট কী আশা করছি সেই সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দিতে পেরেছি।  আপনার ওয়েবসাইট সুন্দর করে ডিজাইন করা থেকে শুরু করে বাহ্যিক যত কাজ রয়েছে সবগুলো ঠিকঠাক মতো ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর বিকল্প নেই।

এটি বর্তমানে এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য অসংখ্য কাজের সুযোগ রয়েছে। সুযোগ গুলো ব্যবহার করতে পারলেই আপনার অসাধারণ একটি ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার গড়ে উঠবে।

তৌহিদ

ABOUT TOUHID

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *