Sunday, April 14, 2024
ব্লগ

অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসার জন্য যে টুলগুলো প্রয়োজন হয়

অনেকেই মনে করেন, অনলাইন ব্যবসা খুবই সহজ একটি প্রক্রিয়া। আসলে এটি মোটেও সহজ নয়, বরং কিছু ক্ষেত্রে অফলাইন ব্যবসায়ের চেয়েও অনলাইনে বেশি জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে আপনি যদি একদtobillera mueller stanley laser fatmax gummistiefel grün stradivarius daunenmantel pack nintendo switch fortnite carrefour pochette mila and stories lounge gartenmöbel aluminium megasofa aruba ii bandiera navale italiana amazon nike free tr flyknit 3 mmw terrarium chamäleon gebraucht urlaub mit hund born darß sansiro parfüm listesi giochi da fare al computer per bambini klobürste selbstreinigend মই নতুন কোনো উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে বিষয়টি আপনার জন্য আরো কঠিন হয়ে যায়৷ অবশ্য চিন্তার কোনো কারণ নেই, আমরা আপনাদেরকে এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করবো। আজকে আমরা অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসার জন্য যে টুলগুলো প্রয়োজন হয়, সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। 

ডোমেইন & হোস্টিং (Domain & Hosting)

  • নেমচিপ(Namecheap)

নেমচিপ হচ্ছে এইসিএএনএন(ICANN) দ্বারা স্বীকৃত একটি প্রতিষ্ঠান যারা ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ডোমেইন বিক্রি করে। বিগত ১০ বছর ধরে তারা বিশ্বের শীর্ষ ওয়েব হোস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে স্থান দখল করে আছে। বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য নেমচিপের হোস্টিং সেবা খুব কার্যকরী।

নেমচিপ শেয়ার্ড(Shared) হোস্টিং, ভিপিএস, ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রার, ডেডিকেটেড হোস্টিং, ডোমেন কন্ট্রোল ইত্যাদি সেবা প্রদান করে থাকে। তাছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় তারা খুব সাশ্রয়ী মূল্যে ডোমেইন বিক্রি করে থাকে।

এছাড়াও নেমচিপ ফ্রি প্রাইভেসি প্রটেকশন, ডোমেইন নেইম সিকিউরিটি,যেকোনো রকম সমস্যায় দক্ষ গ্রাহক পরিষেবা, Complete DNS Access, 24/7 Support, ৯৯.৯ % আপটাইম(Uptime) ইত্যাদি সেবা প্রদান করে থাকে।

  • ক্লাউডওয়েস(Cloudways)

ক্লাউডওয়েস হচ্ছে এমন একটি অনলাইন সেবা প্রদানকারী প্লাটফর্ম যেখানে আপনি ক্লাউড হোস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে হোস্টিং কিনতে পারবেন। আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটির জন্য ক্লাউড হোস্টিং ক্রয় করা থেকে হোস্টিং অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা, সবকিছুই আপনি ক্লাউডওয়েস প্লাটফর্ম থেকে করতে পারবেন।

ক্লাউড সার্ভারগুলো অনেক দ্রুতগামী, নিরাপদ এবং স্বল্পমূল্যের হয়ে থাকে। এই ক্লাউড সার্ভারগুলোকে পরিচালনা করার জন্য সার্ভার ম্যানেজমেন্টের দক্ষতা এবং কোডিংয়ের জ্ঞান প্রয়োজন হয়। সাশ্রয়ী, শক্তিশালী এবং সহজ কনফিগারেশন সমৃদ্ধ ওয়েব হোস্টিং সেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউডওয়েস একটি শক্তিশালী ওয়েব সার্ভার ব্যবহার করে।

আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে ক্লাউডওয়েস ড্যাশবোর্ড থেকে বিভিন্ন অপশনগুলোকে একটি ক্লিকের মাধ্যমেই অ্যাক্টিভেট বা ডিঅ্যাক্টিভেট করতে পারেন। যেমন : ওয়ার্ডপ্রেস বা এসএসএল ইন্সটল করা, ওয়েবসাইট ব্যাকাপ(Back up), ওয়েবসাইট স্পিড অপ্টিমাইজেশন, সিকিউরিটি সেটিংস, ক্যাচিং(Caching) ইত্যাদি।

  • ব্লুহোস্ট(Bluehost)

ব্লুহোস্ট হচ্ছে আমেরিকার একটি ক্লাউড সার্ভিস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ডেডিকেটেড হোস্টিং, ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন সহ এরকম আরো অনেক ব্যাপক পরিসরে তারা হোস্টিং প্ল্যান প্রদান করে থাকে।

ব্লুহোস্টের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন :

  • ব্লুহোস্ট ইউজারদেরকে আনলিমিটেড ডিস্ক অফার করে। 
  • আনলিমিটেড স্টোরেজ এবং হোস্টিং প্যাকেজে আনলিমিটেড আপলোড এবং ডাউনলোডের সুবিধা।
  • ইমেইল অ্যাকাউন্ট, ওয়েবসাইট ও ডাটাবেজের জন্য সহজে ম্যানেজমেন্ট ইন্টারফেস ব্যবহার করা যায়।
  • ব্লুহোস্টে আপনি যেকোনো হোস্টিং প্যাকেজের সাথে একটি ডোমেইন নেইম পাবেন।
  • আপনার ওয়েবসাইট যাতে যেকোনো ডিভাইসে দ্রুত লোড হয়, সেজন্য সবগুলো হোস্টিং প্যাকেজ ওয়ার্ডপ্রেস অপ্টিমাইজড সার্ভারের সাথে পাওয়া যায়।

ব্লুহোস্ট-Bluehost

  • হোস্টগ্যাটোর(Hostgator)

হোস্টগ্যাটোর হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম হোস্টিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যা ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সার্ভিসের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী হওয়ায়, দিন দিন এটি মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বর্তমানে প্রফেশনালদের পছন্দের তালিকায় হোস্টগ্যাটোর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে৷

হোস্টগ্যাটোরের কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে :

  • আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ(Bandwidth)
  • আনলিমিটেড স্টোরেজ সক্ষমতা। 
  • ৯৯.৯% সার্ভার আপটাইম।
  • ৪৫ দিন পর্যন্ত মানি-ব্যাক গেরান্টি।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যালওয়ার অপসারণ করা। 
  • ফ্রি এসএসএল(SSL)
  • সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন স্থাপন করা।
  • ফ্রি ডোমেইন, স্ক্রিপ্ট, ওয়েবসাইট ও মাইএসকিউএল(MySQL) পরিবর্তন করতে পারার সুবিধা।
  • ফোন, লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক গ্রাহক সেবা দেওয়া।

হোস্টগ্যাটোর-Hostgator

  • গোড্যাডি(Godaddy)

বিশ্বের অন্যতম ডোমেইন হোস্টিং সাইট হচ্ছে গোড্যাডি, যা প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে। পরিসংখ্যান মতে, গোড্যাডি প্রতিষ্ঠানটির কাছে পৃথিবীর সবথেকে বেশি ডোমেইন এবং হোস্টিং রয়েছে। বর্তমানে গোড্যাডি বিশ্বের প্রায় ১৭ মিলিয়ন মানুষকে সেবা দিয়ে থাকে। ২০২০ সালে তাদের আয় ছিলো ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

গোড্যাডির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো :

  • আনলিমিটেড স্টোরেজ সক্ষমতা। 
  • ২৪/৭ গ্রাহক সেবা দেওয়া। গ্রাহকের কোনো সমস্যা থাকলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করা। 
  • গ্রাহক পরিষেবার পরিমাণ অনেক বিস্তৃত।
  • অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীদের তুলনায় একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে কম সময় লাগে। 
  • যদিও গোড্যাডির হোস্টিং প্ল্যানগুলো কিছুটা ব্যয়বহুল, তবে কিছু স্বল্পমূল্যের হোস্টিং প্ল্যানও রয়েছে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস সহ বিভিন্ন রকম সফটওয়্যার কেবলমাত্র একটি ক্লিকেই ইন্সটল করে ফেলা যায়।
  • ওয়েবসাইটের গড় লোড টাইম(Load Time) ১৭১.১ মিলিসেকেন্ড।

ইমেইল মার্কেটিং টুলস

  • গেটরেসপন্স(GetResponse)

গেটরেসপন্স হচ্ছে গ্রাহকদের থেকে ইমেইল লিস্ট এবং তাদের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করার একটি প্রয়োজনীয় ইমেইল মার্কেটিং টুলস। ওয়েবসাইট বিল্ডিং, ই-কমার্স টুলস, ওয়েবিনার সলুশন, ল্যান্ডিং পেজ ক্রিয়েশন, চ্যাট ফিচার্স সবরকম সুযোগ সুবিধাই গেটরেসপন্স দিয়ে থাকে।

গেটরেসপন্সে বিভিন্ন রকমের প্ল্যান থাকে। আপনার চাহিদা অর্থাৎ কতগুলো মেইল লিস্ট আপনার প্রয়োজন তার উপর ভিত্তি করে প্ল্যানগুলোর মূল্য কম বেশি হয়ে থাকে। যেমন : বেসিক প্ল্যানে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার পেতে আপনার প্রতি মাসে খরচ হবে ১৫ ডলার। আবার প্রফেশনাল প্ল্যানে ১০০০০ সাবস্ক্রাইবার পাওয়ার জন্য আপনাকে খরচ করতে হবে ১৬৫ ডলার। এভাবে প্ল্যানের উপর ভিত্তি করে মূল্য কম বেশি হয়ে থাকে।

  • মেইলচিম্প(MailChimp)

পুরো বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সফল মার্কেটিং স্টার্ট-আপ সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে একটি হলো মেইলচিম্প। মূলত ব্লগিং ও ছোট-খাটো ওয়েবসাইটগুলোর ক্ষেত্রে এই টুলটি বেশি ব্যবহার করা হয়। মেইলচিম্পে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ইন্টেগ্রেশন, কন্টাক্ট সেগমেন্টিং(Segmenting), অটো রেসপন্ডিং(Responding) সার্ভিস, টাইম-জোন বেসড সেন্ডিং(Time-zone Based Sending), অ্যাপ ইন্টেগ্রেশন সহ বিভিন্ন রকম অ্যাডভান্সড ইমেইল মার্কেটিং ফিচারগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

গেটরেসপন্সের মতো মেইলচিম্পে বিভিন্ন রকম প্ল্যান থাকে। এদের মধ্যে আপনি ফ্রি প্ল্যানের মাধ্যমে ২০০০ এর উপর সাবস্ক্রাইবার পাবেন এবং ১০০০০ হাজারের বেশি মেইল পাঠাতে পারবেন। এর ঊর্ধ্বে যেতে হলে আপনাকে অন্যান্য পেইড প্ল্যানগুলো ব্যবহার করতে হবে।

  • এওয়েবার(Aweber)

এওয়েবার একটি বহুল প্রচলিত ইমেইল মার্কেটিং টুলস। মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে এই টুলটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে ১০০টিরও অধিক ইমেইল টেমপ্লেট এবং ইমেইল লিস্ট বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য ৭০০ এরও অধিক ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের সাইন-আপ ফর্ম রয়েছে।

এওয়েবার ব্যবহার করে ইমেইল মার্কেটিং করা অত্যন্ত সহজ। ওয়ার্ডপ্রেস সহ বেশিরভাগ প্লাটফর্মের সাথেই আপনি এওয়েবারকে সংযুক্ত করতে পারবেন। ইমেইল লিস্ট সংগ্রহ, ইমেইল ট্র্যাকিং সহ অনেক রকম সেবা আপনি এখান থেকে পাবেন। তাছাড়া এওয়েবার সবসময় লাইভ চ্যাট, লাইভ ওয়েবিনার, ফোন ও ইমেইল সেবার মাধ্যমে আপনার সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে।

ট্র্যাকিং টুলস

  • ক্লিকম্যাজিক(ClickMagick)

ক্লিকম্যাজিক হচ্ছে আপনার ব্যবসার ক্যাম্পেইন এডভার্টাইজমেন্ট এবং প্রত্যকটি ইউআরএল(URL) মনিটরিংয়ের এবং কতগুলো রূপান্তর হয়েছে তা ট্র্যাক করার একটি সহজ ও শক্তিশালী প্রক্রিয়া। যদি আপনার ভিজিটর আপনার গ্রাহকে রূপান্তরিত না হয় তাহলে আপনার অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট। তাই নিয়মিত ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আপডেটগুলো নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

ক্লিকম্যাজিকের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো :

  • অনলাইন মার্কেটার, এফিলিয়েট মার্কেটার, ওয়েবসাইট মালিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়। 
  • কাস্টম ট্র্যাকিং ডোমেইন। 
  • ক্রস-ডিভাইস ট্র্যাকিং।
  • প্রত্যেকটি ভিজিটরের রিয়েল টাইম স্ট্যাটিসটিক্স তথা কোন ভিজিটর কখন, কতক্ষণ এবং কী ভিজিট করেছে, সব রকম তথ্য ও উপাত্ত ট্র্যাক করা।
  • লিড জেনারেশনের সোর্স খুঁজে বের করা।
  • অটোম্যাটিক অফলাইন সেলস ট্র্যাকিং।
  • অ্যাডভান্সড ডিভাইস টার্গেটিং।
  • লিংক রোটেটর(Rotator)। 
  • ক্লিক ফ্রড(Fraud) মনিটরিং।
  • বট ফিল্টারিং(Bot Filtering) এবং ব্লকিং ইত্যাদি।

ক্লিকম্যাজিকে মূলত তিন রকমের প্রাইসিং(Pricing) প্ল্যান রয়েছে। সেগুলো হলো : স্টার্টার(Starter) প্ল্যান, স্ট্যান্ডার্ড প্ল্যান, প্রিমিয়াম প্ল্যান। আপনার সুবিধা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি প্ল্যান বেছে নিতে পারবেন।

  • ক্লিকমিটার(Clickmeter)

ক্লিকমিটার হচ্ছে একটি প্রফেশনাল এফিলিয়েট লিংক ট্র্যাকিং সফটওয়্যার যা মূলত এফিলিয়েট এবং ইন্টারনেট বা অনলাইন মার্কেটারদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে পৃথিবীর ১০০ হাজারের উপর এফিলয়েট এবং অনলাইন মার্কেটাররা এটি ব্যবহার করে থাকে। ক্লিকমিটার সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি সহজেই এফিলিয়েট লিংকগুলো ট্র্যাক এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনার অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসার রাজস্ব বৃদ্ধি করা।

ক্লিকমিটারে মূলত তিন রকমের প্রাইসিং প্ল্যান রয়েছে। যথা মিডিয়াম, লার্জ(Large), এক্সট্রা লার্জ(X-Large)। চাহিদা ও সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী প্ল্যানগুলোর মূল্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। আপনি সহজেই আপনার ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় প্ল্যানটি বেছে নিতে পারবেন।

মার্কেটিং টুল

  • ক্লিকফানেলস(ClickFunnels)

ক্লিকফানেলস হচ্ছে আপনার পণ্যসামগ্রীগুলো অনলাইনে মার্কেটিং, বণ্টন এবং বিক্রির একটি টুল এবং কার্যপদ্ধতি। যেসব মার্কেটার প্রোগ্রামিং বা কোডিং জানেন না, তারা যেন সহজেই সেলস ফানেলে(Sales Funnel) আকর্ষণীয় পেজ তৈরি করে নিজেদের অনলাইন ব্যবসার উন্নতি ঘটাতে পারেন, মূলত তাদেরকে সহায়তা করাই ক্লিকফানেলসের উদ্দেশ্য।

ক্লিকফানেলের মাধ্যমে আপনি ল্যান্ডিং পেজ, সেলস পেজ, ওয়েবিনার ফানেল, অপ্ট-ইন পেজ, মেম্বারশিপ সাইট ক্যাপচার(Capture) পেজ সহ আরো অনেক কিছু তৈরিতে করতে পারবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনার ভিজিটরকে গ্রাহকে রূপান্তরিত করা এবং আপনার ব্যবসার রাজস্ব বৃদ্ধি করা।

এটি আপনার গ্রাহককে আপনার ওয়েবপেজ ঘুরে সম্পূর্ণ বিক্র‍য় প্রক্রিয়াগুলো পর্যবেক্ষণ করতে গাইড করে। বিশেষ করে “অল-ইন-ওয়ান”(All-In-One) সার্ভিস এবং যে পণ্যগুলো তারা খুঁজছে বা তাদের প্রয়োজন, সেই পণ্যগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এমনকি গ্রাহক পেজটি লিভ করলেও টুলটির মাধ্যমে আপনি গ্রাহকের সাথে পুনরায় যোগাযোগ করতে পারবেন।

ইমেজ ডিজাইন

  • ক্যানভা(Canva)

ক্যানভা হচ্ছে একটি বহুল প্রচলিত ক্লাউড-ভিত্তিক সাস(SaaS) প্রিমিয়াম গ্রাফিক ডিজাইনিং টুল। এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এবং এখানে অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর ট্যামপ্লেট রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ক্যানভা ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩০ মিলিয়ন এবং এর ভেলুয়েশন(Valuation) প্রায় ৬ বিলিয়ন।

ক্যানভাতে অনেকগুলো অ্যাডভান্সড ফাংশনালিটি রয়েছে যার জন্য এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। এটি হচ্ছে কোনো প্রিন্টেড, পিডিএফ এবং ইনভয়েস ডকুমেন্ট বা ডিজাইন তৈরির একটি ড্রাগ এন্ড ড্রপ অ্যাপ। এছাড়াও ক্যানভাতে বিভিন্ন বিভাগ যেমন : ইনফোগ্রাফিক্স, পোস্টার, ব্যবসায়িক কার্ড ইত্যাদি ভিত্তিক এক বা একাধিক টেমপ্লেট রয়েছে। আপনি আপনার প্রয়োজন মতো যেকোনোটাই সেখান থেকে বাছাই করে নিতে পারবেন।

সুযোগ-সুবিধা এবং অন্যান্য ফিচার্সের উপর ভিত্তি করে ক্যানভাতে ফ্রি, প্রিমিয়াম এবং এন্টারপ্রাইজ তিন রকমের প্ল্যান রয়েছে। আপনি আপনার প্রয়োজন মতো সেখান থেকে বেছে নিতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিনস

  • ডব্লিউপি রকেট(WP Rocket)

ডব্লিউপি রকেট হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটগুলোর জন্য শ্রেষ্ঠ ক্যাচিং প্লাগিন (Caching Plugin)। বর্তমানে প্রায় ৭০০০০০+ ওয়েবসাইটে এটি ব্যবহৃত হয়। ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম কমানোর জন্য, ওয়েবপেজ স্পিড স্কোর বৃদ্ধিতে এবং কোর(Core) ওয়েবের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অপ্টিমাইজ করার এটিই সবচেয়ে কার্যকর এবং শক্তিশালী সমাধান।

বেশিরভাগ ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাচিং প্লাগিনগুলোর সেট-আপ এবং কনফিগারেশন কৌশল অত্যন্ত জটিল। এমনকি অভিজ্ঞ এবং দক্ষ ব্যবহারকারীদের জন্যও তা বুঝতে পারা কষ্টকর হয়ে যায়। মূলত এই সমস্যাগুলোর সমাধানেই ডব্লিউপি রকেট তৈরি করা হয়েছে, যা ইন্সটল করতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে।

  • র‍্যাঙ্ক ম্যাথ(Rank Math)

র‍্যাঙ্ক ম্যাথ হচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন প্লাগিন যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য সবগুলো টুলই পাবেন। আপনার যদি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি র‍্যাঙ্ক ম্যাথের ফাংশনালিটিগুলো সহজেই বুঝতে পারবেন।

র‍্যাঙ্ক ম্যাথ গুগল সার্চ কনসোলের(Console) মাধ্যমে কিওয়ার্ড পজিশনকে ট্র্যাক করে। এর প্রিমিয়াম ভার্সনটিতে আরো ডেভেলপড স্ক্যামা(Schema)/স্ট্রাকচার্ড ডাটা জেনারেটর এবং গুগল এনালাইটিক্স ইন্টেগ্রেশন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গুগল ট্রেন্ড ইন্টেগ্রেশন ব্যবহার করে আপনি ডব্লিউপি অ্যাডমিন থেকে বের না হয়েই আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের জন্য গুগল ট্রেন্ড থেকে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারবেন।

এছাড়াও, আপনি র‍্যাঙ্ক ম্যাথে আপনার কন্টেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে অপ্টিমাইজ করার আরো অসংখ্য ফাংশন পাবেন।

এসইও টুলস

  • সেমরাশ(Semrush)

সেমরাশ হচ্ছে এমন একটি এসইও টুল যা আপনার ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় সব ফিচার্স দ্বারা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজড করতে সহায়তা করে। পুরো বিশ্বে বর্তমানে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাত মিলিয়নেরও বেশি। বর্তমান মার্কেটপ্লেসে এটি অনেক বেশি কার্যকরী একটি টুল। সেমরাশ হচ্ছে এমন একটি টুল যা আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চিংয়ে এবং মার্কেটপ্লেসে আপনার প্রতিযোগিদের কিওয়ার্ড স্ট্র্যাটেজি ট্র্যাকিংয়ে সহায়তা করে। এভাবে সেমরাশ কীভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে এসইও অপ্টিমাইজড করতে পারবেন সে ব্যাপারে বিপুল তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করবে।

পুরো বিশ্বের অনলাইন মার্কেটারগণ থেকে শুরু করে ছোট, মাঝারি বা বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান – সবার কাছেই সেমরাশ একটি বিশ্বস্ততার প্রতীক। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেমন : অ্যাপল(Apple), অ্যামাজন, আইবিএম(IBM), ফর্বেস(Forbes), স্যামসাং সহ অনেকেই এই টুলটি ব্যবহার করে।

  • আহরেফস(Ahrefs)

আহরেফ হচ্ছে লিংক বিল্ডিং, প্রতিযোগী বিশ্লেষণ, কিওয়ার্ড রিসার্চ, সাইট অডিটিং, র‍্যাঙ্ক ট্র্যাকিংয়ের একটি সফটওয়্যার প্যাকেজ। এটি হচ্ছে এমন একটি এসইও টুল যা দারুণ সব ফিচারের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিংয়ে উপরের দিকে থাকতে সাহায্য করে। প্রফেশনাল মার্কেটাররা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় এটি ব্যবহার করে থাকেন।

২০২১ সালে ব্যবহৃত শীর্ষ ১০টি এসইও টুলের একটি হলো আহরেফ। বিশেষ করে কিওয়ার্ড রিসার্চিং এবং কিওয়ার্ড র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য এই সফটওয়্যারটি বহুল জনপ্রিয়। আপনি গুগল, আমাজন বা ইউটিউবের জন্য সেরা কিওয়ার্ড বাছাই করতে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।

মূলত ছোট-খাটো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং এসইও এজেন্সিগুলো এই সফটওয়্যারটি বেশি ব্যবহার করে। তবে এফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্যও এই সফটওয়্যারটি বেশ কার্যকরী। 

অনলাইন মার্কেটপ্লেস – অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসা

  • ফাইভার(Fiverr)

বর্তমান সময়ের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং  মার্কেটপ্লেস হলো ফাইভার, যা ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বায়াররা এই প্লাটফর্মে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ফ্রিল্যান্সাদের মাধ্যমে নিজেদের কাজ করিয়ে নিতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং সহ ফাইভারে আরো অসংখ্য রকম কাজের ক্ষেত্র রয়েছে।

ফাইভারের একটি অন্যতম সুবিধা হলো স্বল্পমূল্যের থেকে অধিক মূল্যের – সব রকমের কাজই এখান থেকে করিয়ে নেওয়া যায়। তাই এটি বায়ারদের অত্যন্ত প্রিয় একটি প্লাটফর্ম। তবে শুধু বায়ারদের নয়, বরং নতুনদের জন্যও কাজ পাওয়ার এবং কাজ শুরু করার এটি খুব ভালো একটি মাধ্যম। কারণ অন্যান্য বেশিরভাগ মার্কেটপ্লেসের মতো কোনো কাজে বিড করার জন্য আপনার ফাইভারকে আলাদা করে কোনো অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাই নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং লাভজনক একটি বিষয়।

ফাইভারে ফ্রিল্যান্সাররা মূলত ফিক্সড-প্রাইস প্রজেক্ট বা নির্ধারিত মূল্য ভিত্তিক কাজ করে থাকেন। অর্থাৎ, যেকোনো কাজের জন্য ক্লায়েন্টের সাথে আপনার একটি চুক্তি হবে, সেই চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত অর্থ ক্লায়েন্ট আপনাকে দিবে। আপনার কাজ ক্লায়েন্টের পছন্দ হলে বোনাসও পেতে পারেন। 

তবে ফাইভারে প্রতিযোগিতা ভিত্তিক বা ঘণ্টা ভিত্তিক কাজের কোনো সুযোগ নেই। ফাইভার থেকে প্রাপ্ত অর্থ পেওনিয়ার(Payoneer), পেপাল(Paypal) অথবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে তারা আপনার কাছে পৌঁছে দিবে।

  • আপওয়ার্ক(Upwork)

বর্তমান বিশ্বের আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট হচ্ছে আপওয়ার্ক। অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর তুলনায় আপওয়ার্কে সেবার মান উচ্চ হওয়ায় ফ্রিল্যান্সার এবং বায়ারদের জন্য এটি অন্যতম নির্ভরযোগ্য একটি প্লাটফর্ম। গবেষণা মতে, মাইক্রোসফট সহ বিশ্বের বিভিন্ন নামীদামী প্রতিষ্ঠান এই প্লাটফর্মের ফ্রিল্যান্সারদের দ্বারা বিভিন্ন রকম কাজ করিয়ে থাকে। তাছাড়া অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মগুলোর তুলনায় আপওয়ার্কে কাজের ক্ষেত্রও তুলনামূলক বেশি, তাই আপনার যদি দক্ষতা এবং যোগ্যতা থাকে, তাহলে আপনি এখান থেকে প্রচুর কাজ পেতে পারেন।

আপওয়ার্কে মূলত ঘণ্টা ভিত্তিক এবং ফিক্সড-প্রাইস প্রজেক্ট তথা মূল্য ভিত্তিক দুই রকম কাজের সুযোগ রয়েছে৷ অর্থাৎ, আপনি চাইলে প্রতি ঘণ্টা কাজের হিসেবেও আপনার পারিশ্রমিক নিতে পারেন কিংবা প্রজেক্ট ভিত্তিক তথা আপনার নির্ধারিত মূল্য ভিত্তিকও পারিশ্রমিক নিতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে একটি সমস্যা হচ্ছে কোনো একটি কাজে বিড করার জন্য বা ক্লায়েন্ট থেকে আপনি যে পারিশ্রমিক পাবেন তার কিছু অংশ আপনার আপওয়ার্ককে দিতে হবে। তবে অন্যান্য প্লাটফর্মগুলোর তুলনায় তা অনেক কম।

আপনার প্রাপ্ত পারিশ্রমিক আপনি ব্যাংক ট্রান্সফার, পেপাল বা পেওনিয়ারের মাধ্যমে আপনি উত্তোলন করতে পারবেন।

পারিশ্রমিক মাধ্যম

  • পেওনিয়ার(Payoneer)

পেওনিয়ার হচ্ছে আমেরিকান একটি আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যা অনলাইনে টাকা পাঠানো এবং ডিজিটাল পারিশ্রমিক সেবা প্রদান করে থাকে। ব্লগার, অনলাইন মার্কেটার, ফ্রিল্যান্সার থেকে শুরু করে সকলেই এই সেবা ব্যবহার করে।

বর্তমানে পেপালের বিকল্প হিসেবে পেওনিয়ারকে গণ্য করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে পেওনিয়ারের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। পেওনিয়ারে একাউন্ট খুললে, আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মাস্টারকার্ডও পাবেন। যা ব্যবহার করে আপনি সহজেই এটিএম(ATM) বুথ থেকেও টাকা তুলতে পারবেন। বিশ্বের বড় বড় নামীদামী মাল্টি-ন্যাশনাল প্রতিষ্ঠান যেমন : গুগল, অ্যামাজন, ফাইভারও পারিশ্রমিক মাধ্যম হিসেবে পেওনিয়ার ব্যবহার করে।

তবে এক্ষেত্রে একটি সমস্যা হচ্ছে, পেওনিয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনভার্সন রেট বা টাকায় রূপান্তরের হার তুলনামূলক কম হয়। তাছাড়া পেওনিয়ার বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রাখে যা এর অন্যান্য প্রতিযোগিদের তুলনায় অনেক বেশি।

  • কয়েনবেস(Coinbase)

কয়েনবেস হলো একটি বিশ্বস্ত আমেরিকান প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে ডিজিটালি মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়। বর্তমানে পৃথিবীর বহুদেশেই মুদ্রা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কয়েনবেস ব্যবহার করা হয়।

কয়েনবেস মূলত দুইভাবে কাজ করে, যথা :

জিডিএএক্স(GDAX)

GDAX এর পূর্ণরূপ হলো Global Digital Asset Exchange। অর্থাৎ, পুরো বিশ্বে যেসব ডিজিটাল মুদ্রা রয়েছে কয়েনবেস সেগুলোকে এক মুদ্রা হতে অন্য মুদ্রায় রূপান্তরিত করে। কয়েনবেস যেসব মুদ্রা আদান-প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – 

  • বিটকয়েন(Bitcoin)
  • বিটকয়েন ক্যাশ(Bitcoin Cash)
  • ইথেরিয়াম (Ethereum)
  • লাইটকয়েন (Litecoin)

অফার এপিআই(API)

API শব্দটির পূর্ণরূপ হচ্ছে Application Programming Interface। প্রতিষ্ঠানটির কাছে যে ডাটা বা উপাত্ত রয়েছে তা তারা অন্যান্য ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইটে দেখানোর জন্য ডেভেলপারদের কাছে বিভিন্ন দামে এপিআই কি(API Key) বিক্রি করে যাতে তারা ঐ API Key এর মাধ্যমে নিরাপদে ডাটা পেতে পারে।

উপসংহার

অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসা বর্তমানে অনেকের একটি আগ্রহের জায়গাতে পরিণত হলেও দেখা যায় সঠিক গাইডলাইন এবং দিক-নির্দেশনার অভাবে অনেকেই বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন। আমরা চেষ্টা করেছি, অনলাইন মার্কেটিং ব্যবসার জন্য যে টুলগুলো প্রয়োজন হয় সেগুলো সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দিতে। আশা করি, এখান থেকে আপনারা উপকৃত হবেন। আপনাদের জন্য অনেক শুভকামনা থাকলো। 

তৌহিদ

ABOUT TOUHID

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *